এক দিওয়ানে কি দিওয়ানিয়ত (Ek
Deewane Ki Deewaniyat) হল ২০২৫ সালের একটি হৃদয়ছোঁয়া হিন্দি রোমান্টিক নাট্য
চলচ্চিত্র, যেখানে ভালোবাসা, পাগলামি এবং আসক্তির সূক্ষ্ম সীমারেখা তুলে ধরা হয়েছে।
ছবিটি পরিচালনা করেছেন মিলাপ জাভেরি, যিনি অতীতে “Ek Villain” এবং “Satyameva
Jayate”-এর
মতো হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন।
দেশি মুভিজ ফ্যাক্টরির ব্যানারে নির্মিত
এই সিনেমায় মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন হর্ষবর্ধন রানে ও সোনম বাজওয়া। দিওয়ালির প্রেক্ষাপটে
মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমা রোমান্টিক ড্রামার পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক উত্তেজনায় ভরপুর।
🎥
কাহিনি সংক্ষেপ:
গল্পের শুরু হয় আর্যন (হর্ষবর্ধন রানে)
নামের এক চিত্রশিল্পীর জীবন দিয়ে। একসময় সফল কিন্তু মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এই শিল্পীর
জীবন একেবারে বদলে যায় যখন সে পরিচিত হয় মীরা (সোনম বাজওয়া)-র সঙ্গে — এক প্রাণবন্ত,
স্বাধীনচেতা মেয়ে, যে নিজের জীবন ভালোবাসে, কিন্তু অন্যের জীবনে বাঁধা হতে চায় না।
আর্যন প্রথম দেখাতেই মীরার প্রেমে পড়ে
যায়। তার ভালোবাসা এতটাই গভীর হয় যে তা একধরনের অবসেশনে (obsession)
পরিণত
হয়। আর্যন বিশ্বাস করে, মীরার জীবনে তার ছাড়া আর কেউ থাকতে পারে না। কিন্তু মীরা এই
অতিরিক্ত ভালোবাসায় আতঙ্কিত হয়ে ওঠে।
আরো দেখুন:
থাম্মা মুভি ডাউনলোড – Thamma Movie Download (2025)
জুমানজি ২ হিন্দি ডাবিং ফুল মুভি ডাউনলোড – Jumanji 2 Hindi Dubbed Movie Download
সময়ের সাথে দেখা যায়, মীরা অন্য এক তরুণের
সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে — এই খবর পেয়ে আর্যনের মধ্যে জন্ম নেয় অন্ধকার,
সহিংস এক দিক। তার মানসিক ভারসাম্য ভেঙে পড়ে, এবং সে নিজের ভালোবাসাকে অধিকার ও প্রতিশোধে
রূপান্তরিত করে ফেলে।
গল্পটি এরপর মনস্তাত্ত্বিক উত্তেজনায় ভরা
এক পথে এগোতে থাকে। আর্যন শুরু করে এক ভয়াবহ যাত্রা — যেখানে তার ভালোবাসা
ও ঘৃণা একে অপরের বিপরীতে দাঁড়ায়।
এক রাতে মীরার সঙ্গে দেখা হয় তার। সেই
দেখা কি পুনর্মিলনের, না কি প্রতিশোধের?
শেষ দৃশ্যে দর্শক বুঝতে পারে, আর্যন আসলে
নিজের মানসিক অবসেশনের সঙ্গে লড়াই করছিল — মীরার নয়, তার
নিজের ভেতরের “দেওয়ানিয়ত”-এর সঙ্গে।একটি
সংলাপ যা সিনেমার সারমর্মকে ধারণ করে —
“প্রেম যদি পাগলামি
না হয়, তবে সে প্রেম নয়।”
🎭
অভিনয় ও পরিচালনা:
হর্ষবর্ধন রানে-র অভিনয় সিনেমার প্রাণ।
তার চরিত্রের মানসিক পরিবর্তন ও আবেগের গভীরতা দর্শককে মুগ্ধ করে। সোনম বাজওয়া মীরার
চরিত্রে কোমলতা ও দৃঢ়তার মিশ্রণ ঘটিয়েছেন। মিলাপ জাভেরি তার স্বভাবসিদ্ধ ঘন সংলাপ ও
আবেগঘন দৃশ্য দিয়ে সিনেমাটিকে গভীর এক রোমান্টিক থ্রিলারে পরিণত করেছেন।
🎬
সিনেমার বৈশিষ্ট্য:
·
মনস্তাত্ত্বিক রোমান্স ও থ্রিলারের সংমিশ্রণ
·
চমৎকার ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর
·
রঙিন ও আবেগপূর্ণ সিনেমাটোগ্রাফি
·
দিওয়ালির উৎসবের আবহে নির্মিত ভালোবাসার গল্প

