লকডাউন (Lockdown) ২০২৫ সালের একটি
তামিল ভাষার সাসপেন্স-থ্রিলার, পরিচালনা করেছেন A. R. Jeeva। ছবিতে প্রধান
চরিত্রে অভিনয় করেছেন Anupama Parameswaran; সঙ্গে রয়েছেন
Charle,
Livingston, Nirosha এবং Priya Venkat। প্রযোজনা করেছে
Lyca
Productions (প্রযোজক Subaskaran Allirajah)। সঙ্গীতে আছেন
N.
R. Raghunanthan ও Siddharth Vipin।
ছবিটি ২৩ নভেম্বর ২০২৫-এ গোয়ায় ৫৬তম
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রিমিয়ার হয় এবং ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি
পায়।
কাহিনি
সংক্ষেপ:
চেন্নাই শহরে আকস্মিক জরুরি অবস্থা জারি
হয়—শহরজুড়ে কঠোর
লকডাউন। ঠিক সেই রাতে আইশা (অনুপমা পরমেশ্বরন) একটি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে আটকে
পড়ে। বাইরে কারফিউ, ভেতরে অদ্ভুত নীরবতা। ফোন নেটওয়ার্ক দুর্বল, ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন।
নিরাপত্তাকর্মীরা বলছে—সবাই নিজ নিজ ফ্ল্যাটে থাকুন। কিন্তু কয়েক
ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়।
আরো দেখুন:
ও’ রোমিও মুভি ডাউনলোড | O' Romeo Movie Download (2026)
কমপ্লেক্সে এক বৃদ্ধ বাসিন্দার রহস্যজনক
মৃত্যু ঘটে। প্রশাসন এটিকে স্বাভাবিক ঘটনা বললেও, আইশা লক্ষ্য করে সিসিটিভি ফুটেজের
কিছু অংশ উধাও। একই সঙ্গে কয়েকজন বাসিন্দার আচরণ সন্দেহজনক হয়ে ওঠে—বিশেষত এক সাবেক
পুলিশ কর্মকর্তা (চার্ল) এবং এক ব্যবসায়ী (লিভিংস্টন), যারা বারবার জরুরি তলবের অজুহাতে
নিচতলায় যাতায়াত করছে।
আইশা পেশায় ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার,
কিন্তু তার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা তীক্ষ্ণ। সে বুঝতে পারে—লকডাউন শুধু বাহ্যিক
নয়; এই ভবনের ভেতরেও কেউ একজন তথ্য, প্রমাণ ও মানুষকে “লক” করে রাখছে। এক
রাতে পাশের ফ্ল্যাটের এক তরুণী (প্রিয়া ভেঙ্কট) হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়। প্রশাসন বলছে—সে গ্রামে চলে
গেছে। কিন্তু তার রুমে রক্তের দাগ কেন?
আইশা গোপনে বাসিন্দাদের নিয়ে একটি ছোট
দল গঠন করে। তারা আবিষ্কার করে, লকডাউনের সুযোগে একটি অবৈধ মেডিক্যাল ট্রায়াল ও অর্থপাচার
চক্র চলছিল ভবনের বেসমেন্টে। কয়েকজন বাসিন্দা জড়িত, আর কেউ কেউ ভয়ে চুপ। নীরোশা
অভিনীত এক নার্স চরিত্র ধীরে ধীরে সত্য উন্মোচনে সহায়তা করে—সে জানায়, “জরুরি অবস্থা” আসলে ছিল পরিকল্পিত,
যাতে বাইরের নজর এড়ানো যায়।
চলচ্চিত্রের মধ্যভাগে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
হয়ে যায়—অন্ধকারে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। আইশা একটি
লুকানো সার্ভার রুমে প্রমাণ খুঁজে পায়, যেখানে গোপন নথি ও ভিডিও সংরক্ষিত। সাবেক পুলিশ
কর্মকর্তা স্বীকার করে—উপরমহলের নির্দেশে সবকিছু আড়াল করা হচ্ছিল।
কিন্তু চূড়ান্ত মুহূর্তে বিশ্বাসঘাতকতা ঘটে; দলের একজন সদস্যই ছিল চক্রের অংশ।
ক্লাইম্যাক্সে আইশা লাইভ স্ট্রিমের মাধ্যমে
সত্য প্রকাশ করে—যদিও ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন, সে বিকল্প নেটওয়ার্ক
ব্যবহার করে প্রমাণ বাইরে পাঠাতে সক্ষম হয়। প্রশাসন বাধ্য হয়ে তদন্ত শুরু করে; জড়িতদের
গ্রেপ্তার করা হয়। লকডাউন ধীরে ধীরে শিথিল হয়, কিন্তু আইশা বুঝে যায়—সবচেয়ে কঠিন
লকডাউন ছিল ভয়ের, যা মানুষকে চুপ করিয়ে রাখে।

