হ্যাপি প্যাটেল: খাতরনাক জাসুস হলো ২০২৬
সালের একটি ভারতীয় হিন্দি স্পাই অ্যাকশন কমেডি মুভি, যেখানে রহস্য, হাসি ও অ্যাকশন
একসাথে মিশে গেছে। ছবিটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন বীর দাস ও কবি শাস্ত্রী, এবং প্রযোজনা
করেছে আমির খান প্রোডাকশনস।
মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন বীর দাস, তার সঙ্গে
অভিনয় করেছেন মিথিলা পালকর, মোনা সিং, শারিব হাশমি ও শ্রুতি তাওয়াড়ে। ১৬ জানুয়ারি
২০২৬ তারিখে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এবং মুক্তির পর দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক
কৌতূহল সৃষ্টি করে।
কাহিনি
সংক্ষেপ:
হ্যাপি প্যাটেল একজন অদ্ভুত কিন্তু ভীষণ
আত্মবিশ্বাসী যুবক, যিনি বড় হয়েছেন ব্রিটেনে। তার দত্তক বাবা-মা দু’জনই ব্রিটিশ গোপন
সংস্থার সাবেক এজেন্ট এবং সমকামী দম্পতি। ছোটবেলা থেকেই হ্যাপির স্বপ্ন—সে একদিন বাবাদের
মতো একজন দুর্ধর্ষ গুপ্তচর হবে।
হ্যাপি MI7 নামের একটি গোপন
সংস্থায় যোগ দেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করে, কিন্তু তার অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস,
হাস্যরস আর অপ্রচলিত স্টাইলের কারণে প্রতিবারই ব্যর্থ হয়। ঠিক এই সময়েই সে জানতে
পারে একটি বিস্ময়কর সত্য—সে আসলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত, এবং তার অতীতের
সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক ভয়ংকর পারিবারিক শত্রুতা।
গল্প মোড় নেয় যখন MI7 একটি অদ্ভুত
কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মিশনের জন্য হ্যাপিকে বেছে নেয়। তাকে পাঠানো হয় গোয়া, যেখানে
একটি গোপন কারখানায় এক শ্বেতাঙ্গ নারীকে জোরপূর্বক কাজ করানো হচ্ছে। এই কারখানায়
তৈরি হয় একটি বিশেষ “ফেয়ারনেস ক্রিম”, যার ফর্মুলা
আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল মূল্যবান।
আরো দেখুন:
বর্ডার ২ মুভি ডাউনলোড – Border 2 Movie Download (2026)
এই কারখানার মালিক ডোনা মামা, একজন প্রভাবশালী
ও কুখ্যাত অপরাধী, যার সঙ্গে হ্যাপি প্যাটেলের পরিবারের বহু প্রজন্মের শত্রুতা রয়েছে।
ডোনা মামা হ্যাপিকে শুধুমাত্র একজন গুপ্তচর হিসেবেই নয়, বরং তার পারিবারিক শত্রু হিসেবেও
ধ্বংস করতে চায়।
হ্যাপির সঙ্গে মিশনে যোগ দেয় একজন স্মার্ট
কিন্তু বাস্তববাদী এজেন্ট (মিথিলা পালকর), যিনি শুরুতে হ্যাপির উপর একেবারেই ভরসা করতে
চান না। কিন্তু ধীরে ধীরে হ্যাপির অদ্ভুত বুদ্ধি, হাস্যরস আর অনিচ্ছাকৃত সাহসিকতা মিশনটিকে
এক নতুন দিকে নিয়ে যায়।
গোয়ার রঙিন পরিবেশে শুরু হয় চেজ, ফাইট, ছদ্মবেশ আর একের পর এক কমেডি পরিস্থিতি। হ্যাপি বুঝতে পারে, গুপ্তচর হওয়া মানে শুধু মারধর নয়—সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই আসল বুদ্ধিমত্তা।
শেষ পর্যন্ত হ্যাপি শুধু মিশন সফল করে না, বরং নিজের পরিচয়, পরিবার ও অতীতের সঙ্গে
জড়িয়ে থাকা ভয়কেও জয় করে।

