Tere Ishk Mein (তেরে ইশক মে)
হলো ২০২৫ সালের একটি Indian Hindi Romantic Musical Drama, যেখানে Dhanush এবং Kriti
Sanon অভিনীত।
এটি সরাসরি Raanjhanaa (2013)–এর চরিত্রিক আবেগ বহন করে, কিন্তু
নতুন প্রজন্মের গল্প, কঠোর বাস্তবতা এবং অমীমাংসিত প্রেমকে কেন্দ্র করে নির্মিত।
Aanand L. Rai পরিচালিত সিনেমাটিতে
এ.আর. রহমানের সঙ্গীত, Hemal Kothari–রচনা Editing এবং ভারতীয় বিমান
বাহিনী–ভিত্তিক বাস্তব
যুদ্ধের দৃশ্য দর্শককে তীব্র আবেগে ডুবিয়ে দেয়।
গল্পে দেখা যায় শঙ্কর ও মুক্তির জটিল প্রেম, একাডেমিক গবেষণা, IAS পরীক্ষা, ভারতীয় বিমান বাহিনীতে যোগদান এবং যুদ্ধের কঠিন বাস্তবতা।
🎬 কাহিনি সংক্ষেপ:
শঙ্কর, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের জ্বলন্ত সাবেক সভাপতি। আবেগপ্রবণ, তীব্র, প্রতিবাদী—তার জীবন এক ধরনের আগুনে ভরা।
অপরদিকে মুক্তি, শান্ত, পর্যবেক্ষণশীল এবং পিএইচডি গবেষক। তার বিশ্বাস—মানুষের আক্রমণাত্মক আচরণ রূপান্তর করা যায়। গবেষণার বিষয় হিসেবে সে শঙ্করকেই বেছে নেয়। উদ্দেশ্য—একজন অস্থির মানুষকে বোঝা, তার আচরণ প্রমাণ করা, এবং research-based থিসিস সম্পন্ন করা।
আরো দেখুন:
লর্ড কার্জন কি হাভেলি মুভি ডাউনলোড – Lord Curzon Ki Haveli Movie Download
প্রথমে তাদের মিথস্ক্রিয়া ছিল পর্যবেক্ষণের;
পরে সেটি রূপ নেয় আবেগে।
শঙ্কর মুক্তিকে ভালোবাসতে শুরু করে—যা সে বোঝে না:
মুক্তি তাকে শুরুতেই একটি গবেষণামূলক নমুনা হিসেবে দেখেছিল।
কিন্তু সম্পর্কের গভীরতা বাড়তে থাকলে মুক্তির ভেতরে দোটানা তৈরি হয়।
সত্য প্রকাশের ভয়, শঙ্করের আবেগের তীব্রতা
এবং তার ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা—এই তিনটি চাপ মুক্তিকে দূরে সরে
যেতে বাধ্য করে।
মুক্তির বাবা, যুগ্ম সচিব যশবন্ত বেনিওয়াল—তারই মাধ্যমে
সে শঙ্করের সামনে অবাস্তব শর্ত তুলে ধরে:
“আমি তোমাকে বিয়ে
করবো, যদি তুমি UPSC পাস করে IAS
অফিসার
হও।”
শঙ্কর এটিকে প্রেমের পরীক্ষা মনে করে, কিন্তু সত্যিকারের উদ্দেশ্য বোঝে না।
তিন বছর পেরিয়ে যায়। শঙ্কর IAS পরীক্ষার জন্য
নিজেকে সম্পূর্ণ উৎসর্গ করে। এদিকে মুক্তি উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যায়, Jasjeet নামের এক গবেষকের
সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। একদিকে শঙ্করের IAS প্রস্তুতি, অন্যদিকে
মুক্তির নতুন জীবন—দুই দিকেই জমে ওঠে নীরব আবেগ।
সঙ্কট আসে যখন UPSC
preliminary পরীক্ষায় শঙ্কর উৎরে যায়।
সেই মুহূর্তেই মুক্তি Jasjeet–কে বিয়ে করার ঘোষণা দেয়।
শঙ্করের ভেতরে জ্বলে ওঠে প্রেম ও প্রতিশোধ, আর তাদের সম্পর্ক ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।
ভগ্ন হৃদয়ে শঙ্কর UPSC ছেড়ে ভারতীয়
বিমান বাহিনীতে যোগ দেয়।
তার জীবনের লক্ষ্য বদলে যায়—দেশ রক্ষাই হয়ে ওঠে তার নিজের মুক্তি।
মুক্তির জীবন অন্ধকারে ঢোকে। বিয়ের পর
সে আবিষ্কার করে—সে Jasjeet–এর সন্তানসম্ভবা।
অ্যালকোহলে আসক্তি, অপরাধবোধ, পিতার মৃত্যু—সব মিলিয়ে সে
ভেঙে পড়ে। এদিকে তার বাবা মৃত্যুর বেদিতে—তাদের পরিবারের
চারপাশে কেবল শূন্যতা।
সাত বছর পর, শঙ্কর এখন বিমান বাহিনীর Flight
Lieutenant।
মুক্তি liver
cirrhosis–এ আক্রান্ত, Jasjeet যুদ্ধক্ষেত্রে
নিখোঁজ।
ভাগ্যের পরিহাসে মুক্তি আবার শঙ্করের কাছে পৌঁছায়—একটি কাউন্সেলিং
রিপোর্টের নাটকীয়তার মাধ্যমে।
তাদের চোখে এখনো প্রেম—কিন্তু কেউ তা
উচ্চারণ করে না।
বেদনাদায়ক নীরবতা, অসম্পূর্ণ স্বীকারোক্তি—এগুলিই তাদের
ভালোবাসাকে আটকে রাখে।
💔 শেষ অধ্যায় — প্রেমের পূর্ণতা
মৃত্যুতে
চরম ত্যাগের মুহূর্তে, শঙ্কর চীনা যুদ্ধজাহাজে
নিজের জেট ক্র্যাশ করে Jasjeet ও তার স্কোয়াডকে বাঁচায়। মুক্তি
গর্ভধারণের সময় অসুস্থতায় মারা যায়।

