ভাইরাস ওয়েব সিরিজ ২০২৩ সালের ১০ আগস্ট
চরকিতে মুক্তি পাওয়া এই বাংলা ওয়েব সিরিজটি ইতিমধ্যেই দর্শকদের মাঝে আলোচনার ঝড় তুলেছে।
শমল মাওলা, তারিক আনাম খান এবং রাশেদ মামুন অপুর দুর্দান্ত অভিনয়ে সাজানো এই সিরিজে
দেখানো হয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এক গ্রামের ভয়াবহ বাস্তবতা, যেখানে মানুষ ফরমালিন
ছাড়া কিছুই খেতে পারে না।
হঠাৎ ফরমালিনের অভাব দেখা দিলে শুরু হয়
মৃত্যুর মিছিল। এ সময় একটি কোম্পানি ব্যবসার সুযোগ খুঁজতে গ্রামে প্রতিনিধি পাঠায়।
কিন্তু পরিস্থিতি এক ভয়াবহ মোড় নেয় যখন এক প্রতিনিধি মারা যায় এবং অপরজন আফজালের
শরীরে রহস্যজনক ভাইরাস ধরা পড়ে। পুরো কাহিনিতে লুকিয়ে আছে ভয়, ষড়যন্ত্র এবং সত্য
উদ্ঘাটনের রহস্য।
📖
কাহিনি সংক্ষেপ:
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী একটি অজপাড়াগাঁয়ের
জীবনযাত্রা কেন্দ্র করেই শুরু হয় ভাইরাস ওয়েব সিরিজের গল্প। গ্রামটির মানুষেরা এতদিন
ধরে ফরমালিন মেশানো খাবারের উপর নির্ভরশীল যে, ফরমালিন ছাড়া তারা আর কিছু খেতেই পারে
না। ভাত থেকে শুরু করে শাক-সবজি, মাছ-মাংস এমনকি চা—সবকিছুতেই ফরমালিন
মিশিয়ে খাওয়াটা তাদের নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়।
সমস্যা দেখা দেয় যখন হঠাৎ করেই ফরমালিনের
সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফরমালিনের অভাবে একে একে গ্রামের মানুষ মারা যেতে থাকে। ঠিক
তখনই সুযোগ সন্ধানী একটি কোম্পানি দুইজন প্রতিনিধি পাঠায় গ্রামে। উদ্দেশ্য, গ্রামবাসীর
আসক্তি কাজে লাগিয়ে তাদের নতুন প্রোডাক্ট বিক্রি করা।
আরো দেখুন:
ইন্সপেক্টর জেন্ডে মুভি ডাউনলোড – Inspector Zende Movie Download
তবে পরিস্থিতি জটিল মোড় নেয়। গ্রামবাসীরা
নেশার তাড়নায় কোম্পানির একজন প্রতিনিধিকে হত্যা করে। অন্য প্রতিনিধি আফজাল বেঁচে
যায়, কিন্তু ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে কোম্পানি ও মিডিয়া একযোগে চেষ্টা চালায়। আফজালও
মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে সত্য গোপন করে। ফলে কোম্পানি নতুনভাবে ফরমালিনজাত পাউডার সরবরাহ
শুরু করে এবং রাতারাতি বিপুল অর্থ উপার্জন করে।
এরপর গল্পে আসে অপ্রত্যাশিত এক মোড়। আফজালের
শরীরে ধীরে ধীরে অজানা এক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। কোম্পানি তাকে পরিত্যাগ করে
দেয়, কারণ তারা চায় না এই খবর বাইরে ছড়াক। অসহায় আফজাল তখন চিকিৎসার আশায় বিভিন্ন
জায়গায় ঘুরতে থাকে। কিন্তু কোনো সমাধান মেলে না।
শেষমেশ সে নিরঞ্জন নামে এক কবিরাজের কাছে
পৌঁছে। নিরঞ্জন দাবি করে, ভাইরাস মুক্তির জন্য আফজালকে একটি কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি
হতে হবে। এই পরীক্ষার ফলেই তার জীবন-মৃত্যু নির্ধারিত হবে।
কাহিনির এই জটিল বাঁক দর্শকদের মধ্যে তৈরি
করে রহস্য ও কৌতূহল। সত্যিই কি আফজাল ভাইরাস থেকে মুক্তি পায়? কোম্পানির ষড়যন্ত্রের
পর্দা কি ফাঁস হয়? এসব প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে ভাইরাস ওয়েব সিরিজে।

